ঘরের সাজে দেশীয় কারুকাজ

পুরোনো কাপড়ের নকশা, লোকজ চিত্র, কাঠের কারুকাজ বা হাতে বোনা উপকরণ ঘর সাজানো যায় দেশীয় আমেজে।

জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ-এ কবি বাংলার গ্রামীণ বাড়িতে শীতল পাটি আর বাঙালির আবেগ ভালোবাসায় নকশিকাঁথার প্রভাবকে তুলে ধরেছেন। গ্রামীণ ঘরে দেশীয় উপকারণের সাজসজ্জাও ছিল সাধারণ বিষয়।

আধুনিক সময়েও ঘরসজ্জায় নকশীকাঁথা, রিক্সাপেইন্ট, প্যাচওয়ার্ক, শীতলপাটির আবেদন ধরে রাখেন অনেকেই।

কারণ ঘরের একঘেয়ে সাজের বাইরে দেশীয় কারুকাজের আসবাব তাই শুধু ব্যবহারের জিনিস নয়, হয়ে উঠতে পারে গ্রামীণ গল্প বলার মাধ্যম।

আসবাবে যখন বাংলার গল্প

বসার আসন কি শুধু বসার জন্যই তৈরি? তার গায়ে নকশিকাঁথার রঙিন নকশা, পুরানো কাপড়ের টুকরো জোড়া বা প্যাচওয়ার্ক করা কিংবা কাঠের গায়ে দেশীয় কারুকাজে সেটি ভিন্নধর্মী আসবাবে রূপ নেয়।

“দেশীয় কারুকাজ ব্যবহারে একই নকশা বা একই ধরনের বিন্যাসেও ভিন্নতা আসতে পারে”, বলেন ফ্যাশন ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও অন্দরসজ্জাবিদ গুলশান নাসরিন।

এছাড়া দেশীয় নকশার এমন আসবাবে সামান্য অসম্পূর্ণতা, রংয়ের পার্থক্য কিংবা নকশার নিজস্বতা থাকতে পারে। আর সেই ভিন্নতাই আলাদা আবেদন আনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *